সমতল ও পাহাড়ে কোনো বৈষম্য থাকবে না --- পার্বত্য মন্ত্রী
রাঙ্গামাটি, ২৩ চৈত্র (৬ এপ্রিল):
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ সরকারের লক্ষ্য হলো সমতল ও পাহাড়ের মধ্যে কোনো প্রকার বৈষম্য না রাখা এবং দেশকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নেওয়া। মন্ত্রী বলেন, পাহাড় এবং সমতলে সমান উন্নয়নের মাধ্যমেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
আজ রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান, চাংলান ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাহাড়ি-বাঙালি সকল সম্প্রদায়ের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পাহাড়ের উৎসবগুলোর বৈচিত্র্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু বা বিষু-নামের ভিন্নতা থাকলেও এই উৎসবগুলোর মূল সুর একই, আর তা হলো মৈত্রী ও সম্প্রীতি। আমরা প্রতিটি সম্প্রদায়ের উৎসবকে তাদের নিজস্ব নামেই সম্বোধন ও সম্মান জানাব।
দীপেন দেওয়ান বলেন, বাঙালির নববর্ষ এবং পাহাড়ের এই প্রাণের উৎসবগুলো মিলেমিশে একাকার হয়ে পাহাড়ের বুকে এক অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মহোৎসব তৈরি করেছে। তিনি এই সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার আহ্বান জানান।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল একরামুল রাহাত, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক জীতেন চাকমা।
উল্লেখ্য, ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল মূল উৎসব ঘরোয়াভাবে পালিত হবে এবং মারমাদের ঐতিহ্যবাহী ‘জলকেলি’ উৎসবের মাধ্যমে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।