কূটনৈতিক উদ্যোগ সত্ত্বেও ইসরায়েলের প্রাণঘাতী হামলায় লেবাননে ক্ষোভ
ডেস্ক নিউজ:
হিজবুল্লাহর আইনপ্রণেতা হাসান ফদলাল্লাহ বলেছেন, ‘শত্রুর সঙ্গে আলোচনা করা ভুল’ এবং ‘অভ্যন্তরীণ বিভাজনের’ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ইসরায়েল তার আগ্রাসন অব্যাহত রেখে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন শহরে আরও প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবানন ও ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের বৈঠকের মাত্র একদিন পরেই বুধবারের হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন।
এনএনএ-এর তথ্যমতে, জবা শহরে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে একটি পারিবারিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এতে এক দম্পতি, তাদের ছেলে ও পুত্রবধূ নিহত হয়েছেন। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে যে, আনসারিয়েহ শহরে আরও পাঁচজন এবং কাদমুস শহরে চারজন নিহত হয়েছেন।
একই সাথে, ইসরায়েল বৈরুতের দক্ষিণে আরও হামলা চালিয়েছে, এতে দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে – একটি সমুদ্রতীরবর্তী শহর সাদিয়াতে এবং অন্যটি রাজধানী থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার (১২ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত প্রতিবেশী জিয়েহ-এর একটি উপকূলীয় মহাসড়কে।
বৈরুত থেকে আল জাজিরার জেইনা খোদর জানিয়েছেন: “এখানে ক্ষোভ বিরাজ করছে। মানুষ মনে করে, লেবানন সরকারের শত্রু ইসরায়েলের সাথে আলোচনায় বসা উচিত হয়নি, যারা গত কয়েক সপ্তাহেই ২,০০০-এরও বেশি মানুষকে হত্যা করেছে।”
“এখানকার মানুষ হামলা বন্ধের দাবি জানাচ্ছে,” তিনি বলেন এবং উল্লেখ করেন যে, “সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েলি হামলায় এলাকাগুলো বারবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, বাসিন্দারা জানতে চাইছেন যে, ইসরায়েল ও সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে ২০২৪ সালের নভেম্বরে যে যুদ্ধবিরতি হওয়ার কথা ছিল, তা কেন বাস্তবায়ন করা হয়নি; অথচ ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিনই এই চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে।