সংবাদ শিরোনাম

শিশু একাডেমিকে প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে ও উৎকর্ষ সাধনের আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তোলা হবে - মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

 প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন   |   জাতীয়

শিশু একাডেমিকে প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে ও উৎকর্ষ সাধনের আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তোলা হবে       - মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

, ১ আশ্বিন (১৬ সেপ্টেম্বর):

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন বলেন, শিশু একাডেমিকে দেশের প্রতিটি শিশুর অন্তর্নিহিত প্রতিভা বিকাশ, মুক্তচিন্তা ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। 

আজ বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে একাডেমি পরিদর্শন এবং কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি (সুবর্ণজয়ন্তী), এবং শিশু অধিকার দিবস ও বিশ্ব শিশু সপ্তাহ উদ্‌যাপন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় পর্যায়ের এ আয়োজনকে সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর করার লক্ষ্যেই এ বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী শিশু একাডেমির মূল মিলনায়তন, লাইব্রেরি, ব্রেইল কর্নার, স্টোর রুম এবং একাডেমির সীমানা প্রাচীরসহ সংলগ্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। তিনি একাডেমির সার্বিক পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অবকাঠামোগত অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং আগত শিশুদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক কাজের নির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন বলে জানানো হয়েছে।

একাডেমির অবকাঠামো ও আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী শিশু একাডেমিতে স্থাপিত দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনটি অনতিবিলম্বে সচল করার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর ও ডিপিডিসিকে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেন। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে তিনি ভবনের ছাদে অবিলম্বে আধুনিক সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দেন। এছাড়াও,  বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার সুযোগ প্রসারে ব্রেইল কর্নারে ব্রেইল বইয়ের সংগ্রহ বৃদ্ধি এবং সহায়ক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে এটিকে আরও শিশুবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও জাতীয় আয়োজন উপলক্ষ্যে একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং পার্শ্ববর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ সংলগ্ন অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রতিনিধিদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এসময় মন্ত্রী যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সমন্বিত নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা, সুনির্দিষ্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং একাডেমি সীমানার পয়েন্টগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত অধিদপ্তর ও ডিপিডিসির প্রধান প্রকৌশলীবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক, একাডেমি পরিচালনা বোর্ডের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ