সংবাদ শিরোনাম

ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় শীর্ষক সংবাদটি অসত্য এবং বিভ্রান্তিকর

 প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন   |   জাতীয়

ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠাবে জনপ্রশাসন   মন্ত্রণালয় শীর্ষক সংবাদটি অসত্য এবং বিভ্রান্তিকর

ঢাকা, ১৯ চৈত্র (২ এপ্রিল):

‘স্টার নিউজ’ নামক অনলাইন প্লাটফর্মে “ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়” শীর্ষক সংবাদটি অসত্য এবং বিভ্রান্তিকর। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রতিবাদলিপিতে এ কথা জানিয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলেছে, বর্ণিত কর্মসূচিটি সচিবদের জন্য গৃহীত কোনো প্রশিক্ষণ বা শুধু ইংরেজি শিক্ষার প্রশিক্ষণ নয়; বরং এটি সরকারের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। ‘Strengthening Institutional Capacity of BIAM for Conducting Core Courses’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় (i) Governance, Financial Management & Public Procurement (GFMPP) Course (ii) Negotiation Skills and English Proficiency (NSEP) Course (iii) Policy Formulation: e-Governance & ICT (PF:EGICT) Course-সমূহ দেশে ও বিদেশে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। উল্লিখিত কোর্সসমূহের English Proficiency-সহ বেশ কিছু অংশ ইতোমধ্যে দেশেই সম্পন্ন হয়েছে। বেশ ক’টি ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণের বৈদেশিক অংশ ইতালিতে সম্পন্ন হয়েছে। Negotiation Skills-এর বৈদেশিক অংশ যুক্তরাজ্যের Civil Service College-এ আয়োজনের সিদ্ধান্ত থাকলেও বিদ্যমান বাস্তবতায় সরকারের আর্থিক সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অবশিষ্ট প্রশিক্ষণার্থীদের বৈদেশিক প্রশিক্ষণের অংশটুকু ইউরোপের পরিবর্তে এশিয়ার দেশসমূহের কোনো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনা করা হচ্ছে।    

দ্বিতীয়ত, প্রশিক্ষণটি জাপান সরকারের DRGACF ফান্ডের টাকায় পরিচালিত হবে। এর সাথে বাংলাদেশ সরকারের কোন আর্থিক সংশ্লেষ নেই।

তৃতীয়ত, সংবাদে উল্লিখিত প্রশিক্ষণের গন্তব্য ‘পাতায়া’ নয় বরং সম্ভাব্য ভেন্যু থাইল্যান্ড বা মালেশিয়া বা এশিয়ার কোনো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে মর্মে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘পাতায়া’ উল্লেখ করে সংবাদ পরিবেশন করে প্রশিক্ষণটিকে ‘পর্যটনকেন্দ্রিক’ ও অপ্রাসঙ্গিক দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

চতুর্থত, এই প্রস্তাবটি এখনও একনেকে (ECNEC) অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়নি। 

প্রকাশিত সংবাদ অসত্যভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে। সম্যক ধারণা ব্যতীত জনপ্রশাসন সম্পর্কে এ রকম অসত্য এবং বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বিয়াম ফাউন্ডেশনের মতো স্বনামধন্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের জন্য বিব্রতকর এবং অনাকাঙ্ক্ষিত।

এ ধরনের অসত্য এবং বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি ইতিবাচক উদ্যোগকে ব্যাহত করার হীন প্রচেষ্টামাত্র। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রকাশিত এ অসত্য এবং বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছে।