সংবাদ শিরোনাম

সাম্বার তালে বিশ্বমঞ্চে ব্রাজিল: শুরু হলো মহা কার্নিভাল উন্মাদনা!

 প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন   |   খেলাধুলা

সাম্বার তালে বিশ্বমঞ্চে ব্রাজিল: শুরু হলো মহা কার্নিভাল উন্মাদনা!

শাহানুর রুমেন | ব্রাজিল প্রতিনিধি:

সাম্বার তালে তালে আবারও বিশ্বমঞ্চে নিজেকে হাজির করল ব্রাজিল। শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত কার্নিভাল—রঙ, সুর, নৃত্য আর উচ্ছ্বাসের এক অনন্য মহোৎসব। কয়েক দিনের এই আয়োজনকে ঘিরে দেশজুড়ে এখন উৎসবের আবহ।সবচেয়ে বড় আয়োজন দেখা যাচ্ছে Rio de Janeiro-তে। ঐতিহ্যবাহী Sambadrome Marquês de Sapucaí-এ শুরু হয়েছে সাম্বা স্কুলগুলোর জমকালো প্যারেড। হাজারো নৃত্যশিল্পী বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত হয়ে সুরের মূর্ছনায় মুগ্ধ করছেন দর্শকদের। প্রতিটি সাম্বা স্কুল বছরের পর বছর প্রস্তুতি নিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়—যেখানে সৃজনশীলতা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বার্তা একসঙ্গে উঠে আসে।অন্যদিকে, São Paulo-এর Anhembi Sambadrome-এও চলছে সমানতালে প্যারেড ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। শুধু সাম্বাড্রোমেই নয়, শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ‘ব্লোকো’ নামে পরিচিত উন্মুক্ত স্ট্রিট পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন লাখো মানুষ।বিশ্বের নানা দেশ থেকে পর্যটকেরা এই সময় ব্রাজিলে ভিড় জমান।


পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কার্নিভাল ব্রাজিলের অর্থনীতিতেও বড় ভূমিকা রাখে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও বিনোদন খাতে বাড়তি চাহিদা তৈরি হয় এ সময়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্নিভাল কেবল আনন্দের উৎসব নয়; এটি ব্রাজিলের ইতিহাস, আফ্রো-ব্রাজিলীয় সংস্কৃতি এবং জনগণের সৃজনশীল শক্তির বহিঃপ্রকাশ। সামাজিক বৈচিত্র্যকে একত্রিত করে এই উৎসব বিশ্বকে জানিয়ে দেয়—সংস্কৃতির ভাষা সর্বজনীন। সাম্বার ঝংকার, আলোর ঝলকানি আর মানুষের ঢল—সব মিলিয়ে ব্রাজিল আবারও প্রমাণ করল, কার্নিভাল মানেই এক দেশ, এক আবেগ, এক বিশ্বউৎসব।