নাচোলে ৫৬২০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

 প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন   |   রাজশাহী

নাচোলে ৫৬২০  ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৫ হাজার ৬২০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উচ্চফলনশীল বীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া । ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ, তিল, পাট ও আউশ ধানের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলা চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে উন্নত জাতের বীজ এবং ডিএপি  ও এমওপি  সার  তুলে দেওয়া হয়। কৃষি অফিসের তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন ফসল ভেদে বিতরণের মাত্রা ছিল, ​আউশ ধান কৃষক প্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার। ​পাট ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার। ​মুগ ডাল ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার। ​তিল ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া  বলেন, বর্তমান সরকারের কৃষি বান্ধব নীতির ফলে কৃষকরা সঠিক সময়ে উন্নত মানের বীজ ও সার হাতে পাচ্ছেন। বিশেষ করে আউশ এবং গ্রীষ্মকালীন ফসলের আবাদ বৃদ্ধি করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই প্রণোদনার মূল লক্ষ্য। এয়ার ফ্লো মেশিনের ব্যবহার ও উফশী জাতের আবাদ সম্প্রসারণের মাধ্যমে হেক্টর প্রতি ফলন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


​এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সলেহ্ আকরাম , উপজেলা জামায়াতের আমীর প্রভাষক ইয়াকুব আলী, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ। বিতরণ শেষে কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও সারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পরামর্শ প্রদান করা হয়।

​বিনামূল্যে এই কৃষি উপকরণ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকরা। তারা জানান, সঠিক সময়ে এই সহায়তা পাওয়ায় তারা আবাদি জমি ফেলে না রেখে অর্থকরী ফসল উৎপাদনে অধিক আগ্রহী হবেন।

​নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৫ হাজার ৬২০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উচ্চফলনশীল বীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া । ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ, তিল, পাট ও আউশ ধানের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলা চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে উন্নত জাতের বীজ এবং ডিএপি  ও এমওপি  সার  তুলে দেওয়া হয়। কৃষি অফিসের তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন ফসল ভেদে বিতরণের মাত্রা ছিল, ​আউশ ধান কৃষক প্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার। ​পাট ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার। ​মুগ ডাল ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার। ​তিল ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া  বলেন, বর্তমান সরকারের কৃষি বান্ধব নীতির ফলে কৃষকরা সঠিক সময়ে উন্নত মানের বীজ ও সার হাতে পাচ্ছেন। বিশেষ করে আউশ এবং গ্রীষ্মকালীন ফসলের আবাদ বৃদ্ধি করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই প্রণোদনার মূল লক্ষ্য। এয়ার ফ্লো মেশিনের ব্যবহার ও উফশী জাতের আবাদ সম্প্রসারণের মাধ্যমে হেক্টর প্রতি ফলন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

​এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সলেহ্ আকরাম , উপজেলা জামায়াতের আমীর প্রভাষক ইয়াকুব আলী, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ। বিতরণ শেষে কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও সারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পরামর্শ প্রদান করা হয়।

​বিনামূল্যে এই কৃষি উপকরণ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকরা। তারা জানান, সঠিক সময়ে এই সহায়তা পাওয়ায় তারা আবাদি জমি ফেলে না রেখে অর্থকরী ফসল উৎপাদনে অধিক আগ্রহী হবেন।